রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, দুপুর ১২:২৭
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

জিয়াউল আহসান ও তার স্ত্রী-সন্তানের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ

ডেস্ক রিপোর্ট ।। বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) সেনাবাহিনীর চাকরিচ্যুত সাবেক মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করেছে। একই সঙ্গে তার স্ত্রী-সন্তান এবং তাদের মালিকানাধীন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবের লেনদেন স্থগিত করেছে।

সোমবার (১৯ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ইতোমধ্যে দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, হিসাব জব্দ করা ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক অ্যাকাউন্টে লেনদেন বন্ধ থাকবে। আগামী ৩০ দিন এসব হিসাবে কোনো ধরনের অর্থ আদান-প্রদান করা যাবে না। প্রয়োজনে লেনদেন স্থগিত করার সময় আরো বাড়ানো হবে।

বিএফআইইউয়ের চিঠিতে বলা হয়, জিয়াউল আহসান ও তার স্ত্রী-সন্তানের নাম, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য দেয়া হয়েছে। তাদের অ্যাকাউন্টে লেনদেন স্থগিত করার এই নির্দেশনার ক্ষেত্রে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালার সংশ্লিষ্ট ধারা প্রযোজ্য হবে।

কোনো অ্যাকাউন্ট স্থগিত করলে হিসাব সংশ্লিষ্ট তথ্য বা দলিল- যেমন হিসাব খোলার ফরম, কেওয়াইসি ও লেনদেন বিবরণী ইত্যাদি চিঠি দেয়ার তারিখ থেকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে বিএফআইইউয়ের কাছে পাঠানোর জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বলা হয়েছে।

গুম-খুনের ‘মাস্টারমাইন্ড’, ফোনকলে আড়িপাতা, মানুষের ব্যক্তিগত আলাপ রেকর্ড ও ফাঁস করা প্রভৃতি অভিযোগ রয়েছে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর আয়নাঘর সৃষ্টির নেপথ্যেও তার ভূমিকা আছে বলে গুঞ্জন রয়েছে।